আর নয় Youtube, এর বিকল্প Youku :
১) সাইটটিতে ভিডিও Buffering অনেক দ্রুত।
২) যেকোন বিদেশী মুভি একটি পার্টেই দেখতে পাবেন।
৩) নতুন Hollywood/Bollywood/Chinese মুভি/সিরিয়াল অতি দ্রুত আপলোড করা হয় এই সাইটে ।
* ৪) Alexa তে এ সাইটের Ranking ৫৪। তাই নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে এটি একটি জনপ্রিয় সাইট।
এখানে ক্লিক করে লিঙ্কটিতে চলে যান www.youku.com
এখানে ক্লিক করে SEO সফটওয়্যার ফ্রী সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন
http://www.seolab.com/products/seolabpro/download.php
যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কম বেশী আগ্রহ আছে। একজন ব্যবহারকারী ইন্টারনেট থেকেই জেনে নিতে পারেন খুঁটনাটি সব কিছুই। কিন্তু কোটি কোটি ওয়েব সাইটের মধ্যে সঠিক ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টকর। গুগল (পেজ রেংক), এলেক্সা (রেংক), ব্লগলাইনস (সাবইক্রাইবার্স) এবং টেকনোরাটি (অথোরিটি) এর রেটিং এর উপরে ভিত্তি করে ডেইলী ব্লগ টিপস সেরা ২৫ ওয়েব ডিজাইন (ব্লগ) সাইটের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:
1) www.alistapart.com
2) www.smashingmagazine.com
3) www.456bereastreet.com
4) http://meyerweb.com
5) www.simplebits.com
6) www.pearsonified.com
7) http://tutorialblog.org
8) www.cssbeauty.com
9) www.snook.ca/jonathan
10) www.bartelme.at
11) www.themaninblue.com
12) www.andybudd.com
13) http://particletree.com
14) http://warpspire.com
15) www.briangardner.com
16) www.sitepoint.com/blogs/category/design
17) http://theundersigned.net
18) http://bittbox.com
19) http://fadtastic.net
20) http://www.colourlovers.com/blog
21) www.davidairey.com
22) http://designmeltdown.com
23) http://clagnut.com
24) www.devlounge.net
25) www.smileycat.com
আপনার বন্ধু থাকে প্রবাসে আর আপনি বাংলাদেশে। আপনার বন্ধু কম্পিউটারে খুব বেশী দক্ষ না। আপনি আপনার বন্ধুকে কিছু শেখাতে চান বা তার কম্পিউটারের কিছু কাজ করে দিতে চান। কিন্তু দুজন হাজার কিলোমিটার দুরে থেকে কিভাবে এটা সম্ভব। টিমভিউয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন, ফলে আপনি তাকে যেমন কিছু শেখাতে পারবেন তেমনই তার বিভিন্ন কাজও করে দিতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই উভই কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ এবং টিমভিউয়ার সফটওয়্যার ইনষ্টল থাকতে হবে।
এজন্য উভয়ই www.teamviewer.com থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। এবার উভয়ই সফটওয়্যারটি চালু করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে Your Details অংশে ID এবং Password আসবে। যেহেতু আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করবেন তাই আপনার বন্ধুর কাছ থেকে এসএমএস, ফোন, মোবাইল, ম্যাসেজ (চ্যাট) বা ইমেইলের মাধ্যমে তার টিমভিউয়ারের ID এবং Password জেনে নিন। এখন আপনার টিমভিউয়ারের (Remote Support নির্বাচন রেখে) Partner Details এর ID অংশে আপনার বন্ধুর দেওয়া আইডি লিখে Connect Partner বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের টিমভিউয়ার পরীক্ষা করবে। এবপরে পাসওয়ার্ড চাইলে আপনার বন্ধুর দেওয়া পাসওয়ার্ড লিখে Log On বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার বন্ধুর দেওয়া আইডির টাইটেলে একটা উইন্ডো আসবে, যা আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ডেক্সটপ। এখন আপনি উক্ত ডেস্কটপের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ (ফাইল/ফোল্ডার তৈরী, ডিলিট করা, টাইপ করা, সফটওয়্যার ইনষ্টল করা, ডাউনলোড করা, গান দেখা ইত্যাদি) করতে পারবেন। মোট কথা ইন্টারনেটর সংযোগ অক্ষুন্ন রেখে কম্পিউটার লগঅফ/সার্টডাউন ছাড়া বাকি সবই করতে পারবেণ। এছাড়াও Filetransfer থেকে সংযোগ নিলে আপনার নিজের কম্পিউটারের ফাইল আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যে ফাইল/ফোল্ডার আদান প্রদান করতে পারবেন।
Labels: Bangli, help, online, Tips 0 comments
মুক্ত এবং ফ্রি সফটওয়্যারের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে লিনাক্স। লিনাক্সের অপারেটিং সিস্টেমের উপরে ভিত্তি করে অনেকগুলো ডিষ্টো তৈরী হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উবুন্টু, রেড হ্যাট, ফেডোরা, কুবুন্টু ইত্যাদি। আপনি যেটাই ব্যবহার করেন না কেন লিনাক্স বিষয়ে একটু জানা শোনা থাকলে ভালো হয়। লিনাক্স ঘরনার বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য, সফটওয়্যার ইত্যাদির খোঁজ পাওয়ার মতো কয়েকটি ওয়েব সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো। মোট কথা এই সাইটথেকেই আপনি লিনাক্স ঘরনার সকল কিছুই পাবেন।
http://art.gnome.orghttp://dot.kde.org
http://fedoraproject.org
http://linuxfoundation.org
http://linuxhelp.blogspot.com
http://linuxmint.com
http://netdragon.sourceforge.net
http://osdir.com
http://pld-linux.org
http://tldp.org
www.debian.org
www.freesoftwaremagazine.com
www.gentoo.org
www.getgnulinux.org
www.gnome.org
www.gnomefiles.org
www.gnome-look.org
www.gnu.org
www.kde-look.org
www.kernel.org
www.kubuntu.org
www.li.org
www.linux.org
www.linux.org.uk
www.linuxdepot.com.br
www.linuxdevices.com
www.linuxjournal.com
www.linuxlinks.com
www.linuxquestions.org
www.linuxsecurity.com
www.linux-mag.com
www.mandriva.com
www.openoffice.org
www.opensuse.org
www.redhat.com
www.slackware.com
www.ubuntu.com
www.xfce.org
www.xfce-look.org
www-128.ibm.com/developerworks/linux
Labels: Bangli, help, Linux, online 0 comments
বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের লগো বা ব্যানার তৈরীর প্রয়োজন হয়। কিন্তু ফটোশপ বা অন্য কোন গ্রাফিক্স সফটওয়্যার সম্পর্কে ভাল ধারণা না থাকলে লগো বা ব্যানার তৈরী করা সহজ নয়। কিন্তু আপনার হাতের কাছে ইন্টারনেট থাকলে সহজেই ওয়েবসাইট থেকেই যেকোন টেক্সট থেকে লগো বা ব্যানার তৈরী করতে পারবেন। এজন্য www.text2logo.com এ যান। এখানে বিভিন্ন ডিজাইনের লগোর চিত্র দেয়া আছে যার উপরে ক্লিক করলে নতুন পেজ আসবে। যেখান থেকে সহজেই আপনি লগো তেরী করতে পারবেন। যা পরবর্তীতে ইমেজ হিসাবে সেভ করলেই হবে।
Labels: Bangli, help, online 0 comments
আজগুবি নয় আজগুবি নয় সত্যিকারের কথাএড-সেন্সে আয় করতে নেইকো কোন ব্যাথা..অনলাইনে বসে আয় করা যায় এই কথাটি অনেকে গুজব মনে করেন। অনেকে ভাবেন ধোঁকাবাজী... তাদের দোষ নেই আসলে.. অর্থ উপার্জন নিয়ে এত পরিমান দুইনাম্বারী হয় অনলাইনে যে এই বিষয়ে পজিটিভ মনোভাব বজায় রাখা সত্যিই কঠিন। তবে Google AdSense এর বিষয়ে তেমন কোন দুইনাম্বারির খোঁজ পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। তাছাড়া আমি নিজেই গুগল থেকে অনেকবার টাকা তুলেছি... সত্যিকারের টাকা!গুগল মূলত ওয়েষ্ট্রান ইউনিয়ন, ব্যাংক একাউন্ট বা চেকে পেমেন্ট করে থাকে। বাংলাদেশী ব্যবহাকারী হিসেবে আপনি চেকের মাধ্যমে সহজেই টাকু তুলতে পারেন। অনেকে হয়তো ভাবছেন চেক কিভাবে আসবে বা এধরনের কিছু। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কিছু নেই... বাংলাদেশের মত দুর্গম (আইটি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে) অঞ্চলে বসেও চেক পেয়ে যাচ্ছে অনেকে। ভাবছেন আপনার ওয়েব সাইট নেই, কম্পিউটার সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না.. তো কিভাবে সম্ভব? অসম্ভব নয় একেবারেই। একটু কষ্ট করলে আপনিও পেতে পারেন গুগলের চেক.. বাসায় বসেই। কিছু না হোক, অন্তত যদি নেটের বিল ও ব্যক্তিগত খরচটুকু চলে আসে, তাতেই বা কম কিসে?সুতরাং প্রস্তুত হোন... গুগল এডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জনের জন্য।
গুগল আসলে কি চায়? গুগল কনটেন্ট ভালবাসে। কনটেন্ট বলতে এখানে শুধুমাত্র লেখাকে বুঝাচ্ছি - ছবি, গান, ভিডিও - এসবের কোনোটারই মূল্য নাই গুগলের কাছে। আপনি কখনই গুগল থেকে ভিজিটর পাবেন না যদি না আপনার ওয়েবসাইট উচ্চমানের কনটেন্ট থাকে - নিজের কনটেন্ট লিখুন … কপি পেষ্ট কনটেন্ট দিয়ে চলবে না। বানান ভূল থেকে বিরত থাকুন, অহেতুক keyword ব্যবহার করবেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। নিচের কয়েকটি কারনে গুগলের একাউন্ট ব্যান হতে পারে কিংবা পরিশ্রম অনুযায়ী আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
১. শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনের জন্য ব্লগ বানালে চলবে না, কারন সার্চ ইঞ্জিন বড়জোর পাঠককে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসবে কিংবা ক্লিক কিন্তু পাঠকই করবে। তাই লেখার সময় পাঠক এবং সার্চ ইঞ্জিন দু’টোকেই মনে রাখুন। পাঠক যাতে পড়ে স্বাচ্ছন্দ্য পায়, তাই পয়েন্ট আকারে, প্রয়োজনে ছবি দিয়ে ব্লগ পোষ্ট করুন।
২. শুধুমাত্র টাকা কামানোর উদ্দেশ্য থেকে ব্লগ বানানো থেকে বিরত থাকুন।
৩. High Paying Keyword Niche টার্গেট করে ব্লগ বানিয়েছেন, কিন্তু সে অনুযায়ী ব্লগে কনটেন্ট নাই।
৪. অনলাইনে টাকা কামানো সহজ কাজ, এই ভেবে ব্লগ বানিয়েছেন আর ভেবেছেন - পাঠক হুড়োহুড়ি করে আপনার ওয়েবসাইটে আসবে আর ক্লিক করা শুরু করবে।
৫. নিজে নিজে বুদ্ধি করে একটা একটা করে ক্লিক করেন কিংবা অন্যকে ক্লিক করতে উৎসাহিত করেন।
৬. পড়তে অসুবিধা হয় এমন উৎকট ডিজাইন, অপ্রয়োজনীয় ছবি, শব্দ, widgets ব্যবহার করেছেন।
৭. এডসেন্স ব্যবহার করছেন, কিন্তু এডসেন্সের Channel ব্যবহার করছেন না। তাই কোন এ্যাড থেকে কয় টাকা কামাচ্ছেন, তা বুঝতে পারছেন না।
৮. গুগলের নিয়মকানুন কখনো পড়েননি - যেকোন সাইটেই এডসেন্স ব্যবহার করছেন।
৯. এমন কোনো পাতায় এ্যাড বসিয়েছেন, যেখানে কোনো কনটেন্টই নাই।
১০. একটির বেশি সচল এডসেন্স একাউন্ট খোলার চেষ্টা করছেন।
১১. অন্যদের CTR, Impressions, eCPM ইত্যাদি বলে দিয়েছেন।
১২. ছবির সাথেই গুগলের এ্যাড বসিয়েছেন - ভুলেও ছবির গা ঘেষে এ্যাড বসাবেন না।
১৩. অহেতুক এ্যাডের কোড পরিবর্তের চেষ্টা করবেন না। যদি পরিবর্তন করতেই হয়, তাহলে এডসেন্স একাউন্ট থেকেই পরিবর্তন করুন।
১8. এমন টপিক নিয়ে ব্লগ বানিয়েছেন, যার Cost Per Click (CPC) খুবই কম। তাই আপনার আয়ও কম।
বর্তমান সময়ে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আয়ের সুযোগ থাকায় আর ফ্রি ব্লগ থাকায় যে সেই সাইট খুলছে হয়ত সে এ সমন্ধে কিছুই জানেনা। সেক্ষত্রে তারা যেটা করে না বুঝে বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইট থেকে সরাসরি কপি পেষ্ট করে। কিন্তু এডসেন্স থেকে আয় যে কতটা কঠিন তা তারাই জানেন যারা দীর্ঘিদন থেকে সাইট খুলেছেন এবং তাতে গুগল এড দিয়েছেন তাই যারা এ কাজ করে তাদের মূল উদ্দেশ্য চরিতার্থ না হলেও জনপ্রিয় ওইসব ওয়েবসাইট যেগুলো থেকে কপি করা হয়েছে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। যার অন্যতম উদাহরন Bdwebzone এর হাবিবুর ভাই তার সাইটের কপির কারনে ভীষনভাবে ক্ষতিগ্রস্তত তিনি। আর আপনার সাইট যে কপি হচ্ছে এবং কতজন করেছে তা হয়তো আপনি জানতেও পারছেন না খুব তাড়াতাড়ি। এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে আপনাকে Copyspace।
এখানে আপনি আপনার সাইটে লিংকটি দিয়ে সার্চ দিলেই রেজাল্টে চলে আসবে কারা কারা আপনার সাইটটি কপি করেছে। আর জানার পরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে পারেন আপনি।
এডসেন্স পিন সমস্যার সমাধান
যদি পরপর তিনটি গুগল এডসেন্স পিন চিঠি আপনার ঠিকানায় ঠিকভাবে না পৌছে তাহলে এডসেন্স এর সাপোর্ট সেন্টারে লগ ইন করে রিসিভিং পেমেন্ট তারপর পিন অপশনে গিয়ে Continue করুন। তবে তৃতীয় পিন চিঠি পাবার সময় অতিক্রম করলে এডসেন্স একাউন্টের পিন অপশনেই এই লিংকটি চলে আসে এখন।
এরপর নিচর ফরমের মত যে ফরমটি আসবে সেটি পূরণ করুন।
তারপর আপনার ইমেইলে যে রিপ্লাইটি আসবে তার বিষয় অপরিবর্তিত রেখে আপনার কোন পরিচয়পত্র যেমনঃ জাতীয় পরিচয় পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স অর্থাৎ আপনাকে সনাক্ত করা যায় এমন কোন পরিচয়পত্র স্ক্যান করে সংযুক্ত করে পাঠান। কিছুক্সণের মধ্যেই দেখবেন আপনার পিন অপশনটি একটিভ হয়ে গেছে।
গুগল
গুগলে সাইট সাবমিট করতে হলে এখানে ক্লিক করুন। যে পেজটি আসবে তাতে আপনার সাইটের ইউআরএল দিয়ে সাবমিট করুন। ব্যস হয়ে গেল এবার কিছু সময়ের মধ্যেই গুগল আপনার সাইটকে ইনডেক্স করবে।
ইয়াহূ
ইয়াহূতে আপনার সাইট সাবমিট করার জন্য এই লিংকে যান। তারপর সাইট সাবমিটে ক্লিক করুন ছবিতে দেখানো অংশের মত।
এবার যে পেজটি আসবে তা থেকে সাবমিট ইউর সাইট ফ্রিতে ক্লিক করুন।
এবার সাবমিট এ ওয়েবপেজ এ ক্লিক করুন।
এই পেজের ঘরটিতে আপনার সাইটের ইউআরএল টি লিখে সাবমিট ইউআরএল এ ক্লিক করুন।
মাইক্রোসফটের বিং
ঈদানিং কালে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে বিং এর জনপ্রিয়তা বেশ তুঙ্গে। তাই একেও এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বিং এ সাবমিট করতে এখানে ক্লিক করুন। আর আপনার সাইটের ঠিকানা লিখে সাবমিট করুন।
তবে সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হলেও তাতে উন্নতি একটা ধারাবাহিক ব্যাপার এখানে ধাপে ধাপে উন্নতি করতে হয়। একদিনেই উন্নতি সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত পরিশ্রম করে যেতে হবে।
নিজের ডোমেইনে তৈরী করুন ইমেইল এ্যাড্রেস। শুধু নিজেই কেন সেসব ইমেইল এ্যাড্রেস দিতে পারেন দিতে পারেন বন্ধুদেরও। আরেকটু ভেঙে বলি ধরুন আমার ডোমেইন www.myweb.com এখন আমার মেইল এ্যাড্রেসটি যদি হয় sakil@myweb.com তাহলে কেমন হয়? ঠিক এটাই খুব সহজে কিভাবে করা যায় সেটাই বলছি। এজন্য প্রথমেই এখানে ক্লিক করুন এবং এখান থেকে Standard Edition এ ক্লিক করুন।
এবার আসা ফরমটি পূরন করে Continue করুন।
এবার এই পেজটিতে Admin এর জন্য ইমেইল একাউন্ট আই.ডি. এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে I Accept continue with set up এ ক্লিক করুন।
এই পেজটিতে Verify Domain ownership এ ক্লিক করুন।
এই পেজে দুটি অপশন আসবে যার মধ্যে যার মধ্যে Upload an HTML File অপশনটি নির্বাচন করা সুবিধা জনক তাই এ অপশনটি নির্বাচন করে আপনার সাইটের মেইন পেজের সাব ডোমেইন হিসেবে googlehostedservice.html নামে একটি ফাইল আপলোড করুন আর পেজটিতে এখানে পাওয়া ভেরিফাই কোডটি রাখুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আবার Dashboard এ গিয়ে Active email ক্লিক করুন।
এখান থেকে MX Record গুলো সংগ্রহ করুন(এই কাজটি ডিএনএস বিহীন ফ্রি ডোমেইনে সাধারনত করা যায় না, তাই ডিএনএস বিহীন ফ্রি ডোমেইনের জন্য করা মেইল একাউন্ট থেকে শুধু ইমেইল যাবে কিন্তু আসবে না)। এবার আপনার ডোমেইনের কন্ট্রোল প্যানেলে যান। তারপর ডিএনএস ট্যাবে ক্লিক করুন এরপর MX Record এ ক্লিক করে সংগ্রহ করা MX Record বসান তারপর আপডেটে ক্লিক করুন।
কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার সাইটের জন্য মেইল সাভির্স চালু হবে। আপনার মেইলে লগ ইন করার লিংকটি আপনার প্রথমিক মেইল একাউন্টে পাঠিয়ে দেবে। ঐ URL গিয়ে এরপর থেকে আপনি এবং আপনার সাইটে যারা মেইল একাউন্ট করবে তারা লগইন করতে পারবেন। তবে কোন ওয়েব টুল ব্যাবহার করে লগইন URL টি ছোট করে নিতে পারেন মনে রাখার সুবিধার্থে।
* বিভিন্ন সাইটে আপনার ব্যাক লিংক দিন যা পেজ রেংক এর জন্য গুরুত্ব পূর্ন।
* পেজ এর ব্যাকগ্রাউন্ড ও এ্যাড এর ব্যাকগ্রাউন্ড ও বর্ডার এর রং একই রাখুন।
* লেখার মাঝে নিরাপদ দূরত্বে ও নেভিগেশন বার এর নিচে রং মিলিয়ে লিংক ইউনিট এর এড ব্যাবহার করুন।
* অপেক্ষাকৃত সহজ বানানের মনে রাখা যায় এমন ডোমেইন ব্যাবহার করুন।
* অবশ্যই সব জায়গায় পজেটিভ এ্যাপ্রোচ নিয়ে কমেন্ট করুন।
* বিভিন্ন গ্রুপ ও কমু্নিটি তৈরীর মাধ্যমে Social network তৈরী করুন।
* বিভিন্ন ব্লগে জনপ্রিয় বিষয়ে আর্টিকেল লিখুন।
* দেশ বিদশী বিভিন্ন সাইটে ও ব্লগে কমেন্ট করুন এবং সেখানে আইডি হিসেবে আপনার ডোমেইনটি ব্যাবহার করুন।
* প্রতিটি পোষ্ট এর জন্য আলাদা টাইটেল, মেটা কী ওয়ার্ড ও মেটা ডিসক্রীপশন ব্যাবহার করুন।
* Frame এবং Iframe যথাসম্ভব বর্জন করুন। কারন Frame এবং Iframe ব্যাবহার এডসেন্সের নীতি বিরোধী।
* উন্নত, জনপ্রিয় ও বিরল কনটেন্ট ব্যাবহার করুন।
* প্রতি পাতার কিছু কী ওয়ার্ডে ট্যাগ ব্যাহার করুন।
* লিংক ও সাবডোমেইন গুলোকে পরিচ্ছন্ন, ছোট ও স্পষ্ট রাখুন।
* পেজ ভিউয়ার রা যেন সহজেই তার প্রত্যাশিত বস্তুটি খুজে পায় এমনভাবে ডিজাইন করুন।
* ইআরএল দিয়ে ভিডিও শেয়ার করুন।
* গ্রাফিক্স, ফ্লাশ, মুভি ক্লিপ, সাউন্ড, পপ আপ এসবের কোন মূল্য সার্চ ইঞ্জিনে নেই তা এগুলোও যথাসম্ভব বর্জন করুন।
* ছবির জন্য কী ওয়ার্ড বান্ধব নাম ব্যাবহার করুন।
* কী ওয়ার্ড গুলো জনপ্রিয় হয় সেদিকে খেয়াল করুন।
* প্রতিটি ছবিরজন্য আলাদা Alt ট্যাগ ব্যাবহার করুন।
* প্রতিটি লেখার জন্য আলাদা ট্যাগ ও কীওয়ার্ড ব্যাবহার করুন।
* Deep link ও Non Anchor text ব্যাহার করুন।
* খুব বড় নয় আবার খুব ছোটও নয় কিন্তু কীওয়ার্ড ও SEO বান্ধব সহজ বানানের এমন ডোমেইন ব্যাবহার করুন।
* সম্ভব হলে নিজস্ব ডোমেইন ব্যাবহার করুন।
* RSS Feed ব্যাবহার করুন।
* HTML কে পরিচ্ছন্ন রাখুন।
* Sitemap ব্যাবহার করুন। এখানে আপনার সাইটের সাইটম্যাপ সাবমিট করুন।
* Java ও CSS এর জন্য আলাদা ফাইল ব্যাবহার করুন।
* লিংকগুলোকে যথাসম্ভব স্পষ্ট রাখুন।
* গুগল এর ওয়েমাষ্টার, এড ইউআরএল ও এনালাইটিক সার্ভিস ব্যাবহার করতে পারেন ভিজিটর বাড়ানোর জন্য।
* পপুলার কী ওয়ার্ড ব্যাবহার করুন লেখায়। এবং আপনার লেখার 7-10% জুড়ে আপনার টার্গেটকৃত কীওয়ার্ডটি দিন।
* আর লেখার সময় লেখা গুলো এমন ভাবে লিখুন যেন তা সার্চ ইঞ্জিন ও কীওয়ার্ড বান্ধব হয়। যেমন আপনি আপনি হয়ত লিখবেন Song কিন্তু যারা সার্চ করবে তারা লিখবে latest song download free অথবা free song download তাই যেভাবে সার্চ হবার সম্ভাবনা থাকবে বা ঐ অপশনটির জন্য যে কী ওয়ার্ড আছে তা ব্যাবহার করুন।
* নিয়মিত পেজ আপডেট করুন প্রতিদিন কমপক্ষে নতুন একটি পেজ তৈরী করুন।
* সম্ভব হলে নিজস্ব ডোমেইন ব্যাবহার করুন।
* ভিউয়ার দের সাথে প্রতারনা থেকে দূরে থাকুন।
* কপি পেষ্ট থেকে বিরত থাকুণ।
* গুগলের সাথে চালাকি করার চেষ্টা করবেন না।
* জনপ্রিয় মিডিয়া সমূহে আপনার সাইটের বি্ঞ্জাপন নিয়মিত দিন।
* ভিউয়ার রা যেন আবার আসে সে জন্য সাইটে তাদের আকর্ষন করার জন্য কোন ইলিমেন্ট রাখুন।
* সাইটে বিভিন্ন জরিপ, প্রতিযোগীতা, পুল এসবের নিয়মিত আয়োজন রাখুন।
গুগলের ওয়েবমাষ্টার টুল
এরপর আপনার জিমেইল একাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করুন। তারপর নিচের মত যে পেজটি আসবে তাতে আপনার সাইটের এ্যাড্রেস লিখে এড করুন।

গুগলের এডইউআরএল সার্ভিস
এবার বলছি এড ইউআরএল সার্ভিস সম্বন্ধে। এজন্য এই লিংকে যান। ।
এ মাসে অনেকেই তাদের প্রথম এডসেন্স চেক পাচ্ছে স্বাভাবিক ভাবেই তারা অস্থির এবং উত্তেজিত। এদের মধ্যে অনেকেই আমাকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন বিষয় জানতে চাচ্ছে। তাই ভাবলাম তাদের জন্য এডসেন্স চেক বিষয়ক কিছু কথা নিয়ে একটি টিউন করি। অন্যরা হয়তো এই টিউনটিকে তেমন ভালোভাবে নেবেন না কিন্তু তারপরও যেহেতু এটি একটি টেক ব্লগ। আর টেক ব্লগে এগুলো আসলে সময়ের আলোচিত এবং আকাংখিত বিষয় তাছাড়া যারা চেক পায় যেহেতু আমিও তাদের একজন তাই সব চিন্তা করে এই নিয়ে লেখা।
এডসেন্স থেকে যখন চেক ইস্যু করা হয়( পেমেন্ট হিস্টোরী পেজে পাবেন) তখন পাবলিশার কে DHL AWB(যারা কুরিয়ারে আনেন, তবে আমি সব বাংলাদেশী পাবলিশারকেই বলবো কুরিয়ারে আনার জন্য) নাম্বারটি দেয়া হয় না এটা দেয়া হয় বেশ কিছুদিন পর। তাই তখন পাবলিশাররা জানতে পারেন না যে তার চেক তখন কোথায় আছে বা কবে তিনি পাবেন। এ সমসস্যার একটি সহজ সমাধান আছে তা হল পেমেন্ট ইস্যু হওয়ার সময় এডসেন্স থেকে চেক নাম্বারটি দেয়া হয়। আর এই চেক নাম্বারটিকেই ডিএইচএল ব্যাবহার করে শিপিং রেফারেন্স হিসেবে। তাই আপনি DHL এডসেন্স চেক বিষয়ক কিছু কথা | Techtunes এ ফোন করে আপনার চেক নাম্বারটিকে শিপিং রেফারেন্স এ খোজ করতে বললে তারা আপনাকে অনেক আগেই আপনার চেক এর বিস্তারিত তথ্য , কখন কোথায় আছে, কবে আসবে তার জানাতে পারবে। অবশ্য এটি আপনার নাম বললেও তারা সার্চ করে বের করতে পারে কিন্তু তা আসলেই কঠিন এবং বেশীরভাগ সময়েই সম্ভব হয় না। তবে যেভাবেই বের করুন না কেন আপনার DHL AWB নাম্বারটি নিতে ভুলবেন না। তাতে আপনি আবার যদি খোঁজ নেন তাহলে DHL AWB নাম্বারটি দিয়েই সহজে খোঁজ নিতে পারবেন। এমনকি ডিএইচএল এর ওয়েব থেকেও জানতে পারবেন ট্রাকিং সিস্টেম এর মাধ্যমে।
আর সব এডসেন্স পাবলিশার যারা এখনো চেক বা পেমেন্ট পাননি তাদের জন্য আমার দুটি টিপস :
* তা হল- চেক অবশ্যই কুরিয়ারে মাধ্যমে আনবেন যদিও চার্জ কাটা হয় তারপরও।
* আর এ জন্য আপনার একাউন্টটি অবশ্যই ব্যাংকের লোকাল ব্রাঞ্চে করবেন।
যদি আমরা নিশ্চিত থাকি যে আমরা যে তথ্য আমাদের পাতায় লিখছি, এবং যেসব তথ্য রোবট ও টাইটেল ট্যাগে লিখছি সেইসব যথার্থই লিখছি, তাহলে আমরা ইচ্ছে করলে গুগল রোবটকে মানা করে দিতে পারি যেন DMOZ থেকে কোনো তথ্য নিয়ে আমাদের সার্চ ইন্ডেক্স রেজাল্টে না দেয়। মানা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই NOODP লেখা হয় রোবট মেটা ট্যাগের মধ্যে। ইয়াহু রোবট আবার DMOZ থেকে তথ্য নেয়না, সে নিজস্ব ইয়াহু ডিরেক্টরি থেকেই নেয়। ইয়াহু রোবটকে মানা করার জন্য লেখা হয় NOYDIR। আমরা এইভাবে লিখতে পারি -
আলাদা আলাদা ভাবেও লেখা যায় যেমন গুগল রোবটের ক্ষেত্রে -
Labels: Bangli, help, online, SEO 0 comments
এবারে সরাসরি একটু কড়া কথায় আসছি। আপনি কি ব্লগিং শুরু করেছেন আয়ের চিন্তা করে? আপনার ব্লগ লেখার উদ্দেশ্য আসলে কি? ব্লগ থেকে টাকা রোজগার করা? তাহলে কিন্তু এডসেন্স চেক নাও পেতে পারেন, পেলেও অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট করে আপনার চেক পেতে হতে পারে। জেনে রাখুন, গুগল এই আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে ওয়েবমাস্টার এবং ব্লগারদেরকে, সেটা কিন্তু আপনার মূল উদ্দেশ্যকে খাটো করে টাকা রোজগারকে বড় করে দেখার জন্য নয়! গুগলকে আগে চিনুন ভালো করে। তারা যতোই কড়া হোক, তাদের নীতি যতোই শক্ত হোক, তবুও তারা কিন্তু সাধারন ইউজারের বন্ধু হিসেবেই আত্মপ্রকাশ করেছে। এডসেন্স যখন ছিলোনা, তখনো লাখ লাখ ওয়েবসাইট ছিল ইন্টারনেটে, কিন্তু কেবল বড় নামীদামী ওয়েবসাইটগুলিই টাকা পেতো কারন তাদের সাইটে তারা নিজেরা বানিজ্যিক বিজ্ঞাপন নিয়ে আসতো। কিন্তু গুগল তার এডসেন্স প্রোগ্রাম দিয়ে সাধারন মানুষের জন্যও এই সুবিধা খুলে দিয়েছে। তারা তাদের চেনাজানা কোম্পানীগুলির বিজ্ঞাপন আপনার/আমার ওয়েবসাইটে দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে, যা আমরা নিজেরা ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টায় হয়তো আনতে পারতাম না আমাদের ব্লগে। সুতরাং গুগল আমাদের পরম বন্ধু, এবং বন্ধুকে অপমান করবেন না – কোনোরকম নিয়মনীতির বিরোধিতা করবেন না কিম্বা ব্ল্যাকহ্যাট/গ্রেহ্যাট হ্যাকিং করতে চেষ্টা করবেন না এডসেন্স বিষয়ে।
এবারে আসছি ব্লগ করা বিষয়বস্তুর ব্যাপারে। আগেই বলেছি আয়ের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে ব্লগিং করুন। যে বিষয় আপনার পছন্দ, সেই বিষয়েই ব্লগিং করুন। যা আপনি ভালো করে জানেন না, সেই বিষয়ে ব্লগিং করতে নিলে কন্টেন্ট কপি করার দিকে একদিন চলে যেতে হবে, নিজে কিছুই লিখতে পারবেন না। সুতরাং যে বিষয়ের উপরে আপনার আয়ত্ব নেই সেইসব বিষয়ে ব্লগিং থেকে দূরেই থাকুন। নইলে এখান ওখান থেকে কপি করে কিছুটা নিজের ভাষা মিশিয়ে দিতে পারলেও আখেড়ে গিয়ে আপনার ব্লগের মান কমবে, নতুনত্ব থাকবেনা কিছুই। ভেবে দেখুন, যে বিষয়ে আপনি ভালো জানেন, সেই বিষয়ে আপনি কতোখানি ভালো করে লিখতে পারবেন? সেই লেখা হবে ইউনিক, একান্তভাবে আপনার নিজের লেখা। সার্চ ইঞ্জিনেও যেমন এর দাম মিলবে, তেমন পাঠকরাও আপনার লেখা পড়ে বুঝবে যে লেখায় নতুনত্ব আছে, অন্যরকম ভাবে বিষয়টি বুঝানো আছে। তাই পাঠকরাও ফিরে আসবেন আবার, নতুন লেখা পড়তে।
অনেকেই মনে করেন যে বিভিন্ন ওয়েবসাইট/ব্লগে মন্তব্য ছেড়ে আসলে অনেক ভিজিটার পাওয়া যায়। একেবারেই নয়। এই করতে গিয়ে অনেকেই মন্তব্য হিসেবে শুধুই “ধন্যবাদ”, “ভালো লিখেছেন”, “খুব সুন্দর লেখা” ইত্যাদি মন্তব্য লিখে আসেন সেইসাথে নিজের ব্লগের লিঙ্ক দিয়ে আসেন। উদ্দেশ্য সেখানে নিজের লিঙ্ক দিয়ে আসা, সেটা অন্যেরাও ভালোই বোঝে, তাতে কেউ উৎসাহ পাবেনা আপনার ব্লগে আসার। ওইসব মন্তব্য না করে কার্যকরী কিছু মন্তব্য করুন, যে বিষয়ের লেখা সেই বিষয়ে আপনিও কিছু জানলে সেইসব মিলিয়ে মিশিয়ে মন্তব্য দিন, দেখুন তাতে অন্যান্য মন্তব্যকারীরা আপনার ব্লগে কতো ভীড় করে। এতে ভিজিটার বাড়তে বাধ্য, কারন অন্যান্যরা আপনার মন্তব্যেই দেখতে পাবে যে আপনিও বেশ কিছুটা জানেন, তাই আপনার ব্লগে গেলে হয়তো আরো জানা যাবে – তাই সকলে আসবে দেখতে। সেইসব ভিজিটারকে আপনার ব্লগে ধরে রাখার উপায় উপরের প্যারাগ্রাফেই লিখেছি। এবং, ভিজিটার বেশি মানেই এডসেন্সে ক্লিকের সম্ভাবনাও বেশি।
হ্যাঁ, আমি জানি এবং ইতিমধ্যেই এইসব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে যে বিজ্ঞাপনে ৯৯% পাঠক ক্লিক করেন না। বেশ, ১% পাঠক তো করেন? জানেন, এই ১% ক্লিক কতোখানি মূল্যবান হতে পারে মাসে শেষে গিয়ে? সব বিজ্ঞাপনের ক্লিক রেট এক হয়না, বিজ্ঞাপনদাতাদেরও বাজেট থাকে তাইনা? তারা এক একজন এক একরকমের বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা বাজেট করেন। তাই, সঠিক বিষয় হলে এবং সঠিক বিজ্ঞাপনে ক্লিক হলে এই ১% অনেক দামী প্রমানিত হতে পারে। যেমন আমি একটি উদাহরন দিচ্ছি, একই বিষয়ের উপরে বিজ্ঞাপন আলাদা এবং ক্লিক মূল্য আলাদা কেমন করে হয়। ধরুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর ব্যাপারে অনেক মামলা মোকদ্দমায় জড়িত আছেন অনেকে, এখন এই ব্যাপারে DUI (driving under influence) একটি দামী কীওয়ার্ড, কিন্তু এতে ভিজিটার আসলেও ক্লিকের মূল্য কম; অন্যদিকে দেখুন এই কীওয়ার্ড Miami DUI Attorneys, DUI Defence Attorneys ইত্যাদি অনেক বেশি দামী কীওয়ার্ড। কেন? শুধু DUI মানে কি হতে পারে, বিষয়টি সম্বন্ধে লেখা, তাইনা? যিনি মামলায় জড়িয়েছেন তিনি আগেই জানেন তিনি কিসে জড়িয়েছেন। তার প্রয়োজন উকিল, মামলায় সাহায্যের জন্য, তিনি খুঁজছেন উকিল, তাই Miami শহরে থাকা নাগরিক খুঁজছেন এটর্নি, এই কীওয়ার্ড লেখায় থাকলে বিজ্ঞাপনও পাবেন সেইরকম, এবং এবারে দিচ্ছি এর ক্লিক মূল্যের নমুনা। আজকের তারিখে DUI কীওয়ার্ডের মূল্য হচ্ছে $12.26, Miami DUI Attorneys $36.78 এবং DUI Defence Attorneys $32.60 – কি বুঝলেন? কোথায় ১২ ডলার আর কোথায় ৩২ ডলার? সুতরাং কার্যকরী কীওয়ার্ড রাখুন লেখার মধ্যে। এইভাবে এডসেন্সের আয় বাড়াতে পারবেন। আপনার চেষ্টা আপনি করে যাবেন, এর পরে ক্লিক হল কিনা সেটা আপনার হাতে নয়।
ক্লিক যাতে হয়, সেইজন্য নানা পাবলিশার নানারকমের ফন্দি আঁটেন। দয়া করে ওইসব দুর্বুদ্ধি থেকে দূরেই থাকুন। মন দিয়ে নিজের ভালোবাসার বিষয়ে ব্লগিং চালিয়ে যান। ব্লগিং হোক আপনার মূল উদ্দেশ্য, আয় করা নয়। পাঠককে কিভাবে ফাঁকি দিয়ে লেখার মাঝে বিজ্ঞাপন মিলিয়ে ফেলবেন, এই চিন্তা থেকে যতো দূরে থাকা যায় ততোই ভালো। বড়জোড় আপনি এই চিন্তা করতে পারেন যে লেখার যতো কাছাকাছি যতো বেশি বিজ্ঞাপনের লিঙ্ক দেওয়া যায় ততোই ভালো। কিন্তু পাঠককে ধোঁকা দেওয়া, তাকে ফাঁকি দেওয়া ইত্যাদি চিন্তায় জড়ালে নিজেরই অশান্তি হবে, পাঠক এতে বিরক্ত হলে কিন্তু বিপদ আপনারই, অন্য কারো নয়। পাতার ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে বিজ্ঞাপনের ব্যাকগ্রাউন্ড রং মিলিয়ে দিন, তাতে ক্ষতি নেই, কিন্তু বিজ্ঞাপনের টাইটেল কালার, টেক্সট এবং লিঙ্ক কালার ইত্যাদি আপনার লেখার রঙের সাথে মেলাবেন না। এতে অল্প লাভ শুরুতে পেলেও তা হবে ক্ষণিকের লাভ। চিরাচরিত লিঙ্ক কালার আমরা জানি গাঢ় নীল, তাই টাইটেল লিঙ্কের কালার সেটাই রাখুন। বাকি বিজ্ঞাপনের বিবরন লাইন এবং নিচের লাইনের লিঙ্ক কালার লেখার কালারের সাথে মেলাতে পারেন। পাঠক মনে মনে এটাই আশা করবে লিঙ্কের রঙ হবে গাঢ় নীল। Google বলেছে যে এইগুলি Interest based ads, সুতরাং পাঠকের জাগ্রত করুন আপনি আপনার লেখার মধ্যে কীওয়ার্ড দিয়ে সঠিক বিজ্ঞাপন এনে।
খুব হাল্কা রঙের বর্ডার কালার দিতে পারেন বিজ্ঞাপনের ইউনিটে। পাঠকও জানেন ওটা বিজ্ঞাপন। সুতরাং বিশেষ ক্ষতি হবেনা বর্ডার দিলে। মোট কথা, লেখার মাঝে এবং আশেপাশের রঙের সাথে মানানসই হলে সেইভাবে বর্ডার দিতেও পারেন, নাও দিতে পারেন। এক নজরে দেখলে যাতে ভালো লাগে, সেইরকমের একটি দৃশ্য যেন থাকে আপনার ব্লগের পাতায়। হাবিজাবি করে লেখা এবং বিজ্ঞাপন মেলালে পাঠকের বিরক্তির শেষ থাকেনা। পাঠক মূলত এসেছেন আপনার লেখা পড়তে, বিজ্ঞাপনে ক্লিক দিয়ে আপনাকে বড়লোক বানাতে আসেননি তিনি। তাইনা? যতো বেশি করে ফাঁকি দেবেন পাঠককে, পাঠকও ততো বেশি করে প্রতিহত করবে আপনাকে। এই মূল্যহীন লড়াইয়ের কি প্রয়োজন আছে কোনো? এতে পাঠকের ক্ষতি হবেনা, আপনারই মানসিক চাপ বাড়বে। তার চেয়ে সুস্থ মনে আনন্দের সাথে ব্লগিং চালিয়ে যাবেন, এবং সবকিছু দেখতে যেন মনোরম হয় সেইভাবেই বিজ্ঞাপন সাজাবেন।
আরেকটা জরুরী জিনিস বলি। গুগল রোবটের কিন্তু শুধুই সার্চ এবং ইন্ডেক্স করার ক্ষমতা নয়, সেইসাথে অনেক ফিল্টার বসানো থাকে এই রোবটের প্রোগ্রামে। ইন্টারনেটে যথেচ্ছভাবে যেখানে যেখানে নিজের লিঙ্ক লিখে গেলে তার কিন্তু কূফল হতে পারে এটাও মাথায় রাখবেন! দোষ আপনার নয়, দোষ স্প্যামারদের। তারাই নিজেদের লিঙ্ক এইভাবে সবখানে রেখে আসে। আপনি স্প্যামার নন, অথচ রোবট সেটা বুঝবেনা তাইনা? সে যখন দেখবে অন্য স্প্যামারদের মতো আপনার লিঙ্ক অত্যধিক ওয়েবসাইটের পাতায় পাওয়া যাচ্ছে, তখন আপনাকেও স্প্যামার হিসেবে ধরে নিতে পারে। ফলাফল? আপনার হয়তো ১০০’টি পাতার লিঙ্কের মধ্যে ৩০’টি লিঙ্ক ছিল প্রথম পাতায়, সেইগুলিকেও গুগল নামিয়ে নেবে পরবর্তী পাতাগুলিতে। আমাকে কি কেউ দেখেছেন আমার প্রতিটি মন্তব্যের নিচে নিজের লিঙ্ক দিচ্ছি? আমি এটা কোথাও করিনা। অযথা বিজ্ঞাপনের চেষ্টাও আমি করিনা। পারলে আপনারাও এটা মেনে চলুন। নিজের লেখার মান উন্নত করুন এবং গুগলের উপরে ভরসা করুন, গুগলের চাইতে বেশি ভিজিটার আপনাকে কেউ দিতে পারবেনা।
আমি তো বলেছি আমার অভিজ্ঞতার কথা লিখবো? তবে শুনুন, আমার প্রথম ব্লগটি আমি মিশ্র বিষয়ে লিখতাম, ইংরাজী ব্লগ, হাবিজাবি কথায় বিশ্বের নানা ঘটনার নিজের কথায় নিজের ভাবনা লেখা তাতে। প্রথম এক বছরে প্রতি মাসে ৫ হাজারের মতো ভিজিটার পেতাম। দ্বিতীয় বছরে একদিন আমি এডসেন্স একাউন্ট খুলে অবাক, সেদিন একদিনে আয় হয়েছে ৪২ ডলার! কেন? খুঁজে দেখি যে আমার ওই হাবিজাবি জিনিসের ব্লগে এক দিনে গুগল ১ লাখ ৮২ হাজার পাঠক পাঠিয়ে দিয়েছে। অথচ তখন আমি SEO জানতাম না, আমি adsense optimization জানতাম না (এটা ২০০২ সালের ঘটনা বলছি)। লেখার কাছাকাছি কিম্বা লেখার মধ্যে কোথাও বিজ্ঞাপন ছিলোনা। তবুও একদিনে ৪২ ডলার আয় হয়েছে আমার অজানা অচেনা ব্লগে। সেদিনের এই ঘটনা ছিল আমার মোর ঘুড়িয়ে দেওয়ার দিন, এর পরেই আমি উঠেপড়ে লেগেছিলাম এডসেন্সের বিষয়ে আরো জানতে এবং আমার উদ্দেশ্য ছিল বেশি ভিজিটার, বেশী আয় নয়। ফলাফল স্বরূপ আজ আমার অনেক ব্লগ, কিন্তু আমার চেনাজানা কেউ আমার সব ব্লগের লিঙ্ক জানেই না। কারন, প্রচার আমি করিনা। অনেকে বলতে পারেন এটা বাড়াবাড়ি, হল নাহয় তাইই। কিন্তু এটা আমার একটা ওপেন সিক্রেট মতো, ইন্টারনেটেই আছে, সবাই দেখতে পাবে, কিন্তু কেউ জানবেনা আমার ব্লগ নাকি অন্য কারো। আমার বিভিন্ন ব্লগ, বিভিন্ন ছদ্মনামে আছে। আপনারাও যদি এই পদ্ধতিতে চলেন, তাতে ভালোই হবে শেষে। একাউন্ট ব্যান হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই থাকেনা। (আমি এমনও শুনেছি বন্ধুর ক্ষতি করার জন্য অন্যেরা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্লগে গিয়ে শ’য়ে শ’য়ে ক্লিক করেছে এবং তারপরেই একাউন্ট ব্যান)
আরেকটি বিষয়েও কথা হয়েছে, অনেকেই নাকি নিজের ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছেন। দেখুন, এটা বেআইনি হলেও যারা এই পথে যেতে চান তারা এটাও করতে পারেন, তবে ঘুরপথে যেতে হবে। কিন্তু যেহেতু বেআইনি তাই আমি লিখতে পারছিনা কিভাবে এটা করা যাবে। অনেক সহজ সরল পথ আছে এবং গুগল জীবনেও তা ধরতে পারবেনা। পথ আমি বলে দিতে পারি, তবে, এইসব না করাই ভালো। অভ্যাসে পরিনত হলে পরে সমস্যা এড়াতে পারবেন না।
ব্লগ একটি ভালোলাগার জিনিস হিসেবে রাখুন, ব্লগিং একটি ভালোলাগার অনুভূতি হিসেবেই পাবেন। বাকিটা পরম করুনাময়ের উপরেই ছেড়ে দিন না? তিনি আছেন এবং আমাদের প্রত্যেকের জন্যই তিনি কিছু না কিছু করবেন। আমি অত্যন্ত সাধারন কিছু কথা লিখলাম, কিন্তু নিজের এডসেন্স অভিজ্ঞতা এইগুলি। ফল পেয়েছি খুব ভালো, এবং আমি শান্তিতেই আছি, প্রতিমাসেই চেক পাই। এক্সপার্টদের মতো দুই/তিন হাজার ডলারের চেক পাইনা যদিও, কিন্তু যা পাই তা দিয়ে বেশ ফূর্তি করতে পারি আমি। আমি মজা করে এটাকে বলি আমার ফূর্তি ফান্ড। আমার একটি চাকরী আছে, তাই এডসেন্স আমার বোনাস/বাড়তি আয়। এই টাকা আমি জমাইনা, আমি খরচ করে ফেলি। এবং সবচেয়ে বড় কথা, নিয়মিত আমি এই টাকার নির্দিষ্ট একটি অংশ প্রয়োজনী মানুষদের দান করি। কিছু পেলে কিছু দিয়েও দিন, কারন এই পৃথিবীতে অনেকেই আছেন যারা কিছুই পাননি। নিয়ম মেনে সৎ পথে চললে এডসেন্সের টাকা আসবেই আসবে, যাই আসুক, অল্পতেই খুশী থাকতে চেষ্টা করুন। সাফল্যের এটাও আরেকটা প্রধান দিকনির্দেশনা। টাকা টাকা করে দিকভ্রষ্ট হয়ে যাবেন না, তাতে এডসেন্সে সাফল্য আসার বদলে দূরে চলে যাবে।


